বাংলাদেশ একাত্তর.কম/ আব্দুল্লাহ আল মাসুম:
রাজধানীর মিরপুরে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রচারণা চালিয়েছে ঢাকা-১৬ আসনের এমপি আলহাজ্ব ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা ও তার দলীয় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী। সেই ধারাবাহিকতায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অধীনে ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ে জনসাধারণের মাঝে বিনামূল্যে সাবান ও হাত ধোয়ার সামগ্রী উপহার দেন। করোনা মহামারীর শুরু থেকেই মানুষের পাশে ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ কাজ করে চলেছে।
রবিবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে মিরপুর পল্লবী থানাধীন এলাকার কাজী জহিরুল ইসলাম মানিকের কার্যালয়ে ৩নং ওয়ার্ড বাসিদের পাঁচশ পরিবারকে ১০ টি করে সাবান ও ধোয়ার সামগ্রী উপহার দেন এবং ৪১ জন অসহায় দিনমুজর অনাহারে থাকা পরিবারের মাঝে সাড়ে চার হাজার টাকা প্রদানের আস্বাস দেন। এ সময় ঢাকা-১৬ আসনের এমপি আলহাজ্ব ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা, ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজী জহিরুল ইসলাম মানিকসহ অন্যন্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তব্যে এমপি ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ বলেন, দেশে আবারো করোনা ভাইরাস বৃদ্ধির লক্ষ্মণ দেখা দিছে। সুস্থ থাকতে চাইলে সকলে নিময় কানুন মেনে চলাফেরা করুন সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখুন। এই করোনা ভাইরাস সারা বিশ্বকে আতংকের মুখে ফেলেছে। বাংলাদেশে ও তার প্রভাব কম নয়। তিনি বলেন, করোনার বিরুদ্ধে সরকারের জোড়ালো ভুমিকা ও আমাদের জনসচেতনতার কারনেই করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় আমরা সক্ষম হতে পেরেছি। ঘর থেকে বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে সে যে-ই হোক। মিরপুরে অবাঙালী ক্যাম্প গুলোর বাসিন্দারা বেশির ভাগ করোনা পরিস্থিতিতে অসচেতন তাই তাদেরও মাস্ক অবশ্যই বাধ্যতামুলুক।
কাউন্সিলর কাজী জহিরুল ইসলাম মানিক বলেন, দেশে করোনা পরিস্থিতি প্রকটভাবে ধারণ করবে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারনা তাই সব ম্যাসাকার লাগার আগে আমরা ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দগন আমাদের অভিভাবক ঢাকা-১৬ আসনের এমপি আলহাজ্ব ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লার নেতৃত্বে আজ ৩নং ওয়ার্ড এলাকার পাঁচশ পরিবারকে ১০টি করে লাক্স সাবান ও টয়লেট ক্লিনার উপহার সামগ্রী ও ৪১টি অসহায় পরিবারকে সাড়ে চার হাজার টাকা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছি। তিনি বলেন, টাকা মোবাইলের বিকাশ এ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পাঠানো হবে। করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে খাবার আগে দু’হাত ভালো করে পরিস্কার করতে হবে। নিজে সুস্থ থাকুন, পরিবারকে সুস্থ রাখুন, দেশের মানুষকে ভালো রাখুন। এ সময় ৩নং ওয়ার্ড কার্যালয়ে উপহার সামগ্রী নিতে আসা সাধারণ মানুষ সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে উপহার সামগ্রী গ্রহন করেন।